বিদেশ থেকে আমমোক্তারনামা, সঙ্গে পরিবারের জন্য এনভিআর

by Barrister Tahmidur Rahman | Oct 26, 2026

নির্ধারিত ফি প্যাকেজ · প্রবাসী সেবা

বিদেশ থেকে আমমোক্তারনামা, সঙ্গে পরিবারের জন্য এনভিআর

আমরা নির্ধারিত ফরমে আপনার আমমোক্তারনামা (পাওয়ার অব অ্যাটর্নি) তৈরি করি, নিকটস্থ বাংলাদেশ মিশনে স্বাক্ষরের প্রস্তুতি দিই, তারপর ঢাকায় সত্যায়ন, স্ট্যাম্প ও রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করি। ভিসা নীতিমালা ২০২৬ অনুযায়ী সন্তান ও নাতি-নাতনিদের এনভিআর আবেদনও প্রস্তুত করে দিই।

দ্য লিগ্যাল ৫০০ · বাংলাদেশ: মেধাস্বত্ব টায়ার ২ · কর টায়ার ২ · বিরোধ নিষ্পত্তি টায়ার ৩

বিদেশ থেকে আমমোক্তারনামা: নির্ধারিত ফি প্যাকেজ · প্রবাসী সেবা

কাদের জন্য

যুক্তরাজ্য, ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্য বা এশিয়ায় থাকা বাংলাদেশিরা, যাঁদের দেশে কাউকে দিয়ে জমি বিক্রি, কেনা, ভাড়া বা দেখাশোনা করাতে হবেযাঁদের বৈধ বাংলাদেশি পাসপোর্ট নেই, কিন্তু এনআইডি, জন্মনিবন্ধন সনদ বা এনভিআর-যুক্ত বিদেশি পাসপোর্ট দিয়ে স্বাক্ষর করতে চানবিদেশে থাকা ওয়ারিশ, যাঁদের কোনো আত্মীয়কে উত্তরাধিকার সনদ তোলা, পৈতৃক জমির নামজারি বা ব্যাংকের কাজের ক্ষমতা দিতে হবেবাংলাদেশি বংশোদ্ভূত পরিবারের ব্রিটিশ বা অন্য দেশের নাগরিক সন্তান ও নাতি-নাতনি, যাঁরা এনভিআর নিতে চান

এখন কেন জরুরি

বিদেশ থেকে আমমোক্তারনামা

বিদেশ থেকে আমমোক্তারনামা করতে গিয়ে আগে একটি জায়গায় কাজ আটকে যেত: দাতার বাংলাদেশি পাসপোর্ট। ২০২৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত গেজেটে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বিধিমালা, ২০১৫ (Power of Attorney Rules 2015) সংশোধন করা হয়েছে। এখন দেশের বাইরে সম্পাদিত আমমোক্তারনামায় বাংলাদেশি পাসপোর্ট, নো ভিসা রিকোয়ার্ড (এনভিআর) সিলযুক্ত বিদেশি পাসপোর্ট, জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধন সনদ ব্যবহার করা যায় [4]। একই সংশোধনে বলা হয়েছে, প্রত্যয়নের ছয় মাসের মধ্যে প্রত্যয়িত দলিল ও তার কপি বাংলাদেশে পাঠাতে হবে [4]। ফলে অনেক প্রবাসীকে পারিবারিক জমির কাজের জন্য আর আগে পাসপোর্ট নবায়ন করতে হয় না।

তবে কাগজপত্র নির্ভুল হওয়া এখনো জরুরি। বাংলাদেশ মিশনগুলো নির্ধারিত ফরম (তফসিল 'ক', ফরম ৩), কনস্যুলার কর্মকর্তার সামনে দাতার স্বাক্ষর এবং খতিয়ান, দলিল, নামজারির কপি ও সর্বশেষ খাজনার রসিদের মতো জমির কাগজ চায় [1][2]। জমি মৃত বাবা-মায়ের কাছ থেকে পাওয়া হলে মিশন মৃত্যু সনদ ও উত্তরাধিকারের কাগজও চায় [1][2]। দেশে আসার পর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দলিলটি যাচাই করে এবং স্ট্যাম্প লাগানো হয় [7]। জমি, ফ্ল্যাট বা অন্য স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত আমমোক্তারনামা রেজিস্ট্রি করতে হয়; রাজউকের আওতাধীন ঢাকার প্লট ও ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে রাজউকের পূর্বানুমোদনও লাগে [4]।

পরিবারের ধরনও বদলাচ্ছে। ভিসা নীতিমালা, ২০০৬-এর জায়গায় ভিসা নীতিমালা, ২০২৬ (Visa Policy 2026) ২০২৬ সালের আগস্টে মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হয় এবং সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী তা সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর হয় [6]। প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, এর এনভিআর সুবিধা পাবেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বিদেশি নাগরিক, তাঁদের দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রজন্মের বংশধর এবং বিদেশি স্বামী বা স্ত্রী ও সন্তানেরা; পারিবারিক সম্পর্কের প্রমাণ হিসেবে দ্বৈত নাগরিকত্ব সনদ, বাংলাদেশি পাসপোর্ট, এনআইডি বা অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ দেখাতে হবে [5]। আবেদনের আগে নিজের মিশন থেকে ফি ও শর্ত নিশ্চিত হয়ে নিন। বাবা-মা বা দাদা-দাদির বাংলাদেশি কাগজপত্র আগে গুছিয়ে নিলে আবেদন সাধারণত সহজে এগোয়।

যা অন্তর্ভুক্ত

বিদেশ থেকে আমমোক্তারনামা: যা অন্তর্ভুক্ত

01প্রাথমিক আলোচনা ও ক্ষমতার তালিকা

আপনার প্রতিনিধি ঠিক কী কী করতে পারবেন (বিক্রি, কেনা, লিজ, নামজারি, উত্তরাধিকার সনদ তোলা, রাজউক বা ব্যাংকের কাজ), আমমোক্তারনামা সাধারণ, বিশেষ না অপ্রত্যাহারযোগ্য হবে এবং কোন মিশনে স্বাক্ষর করবেন, তা আমরা ঠিক করে দিই।

02নির্ধারিত ফরমে বিদেশ থেকে আমমোক্তারনামা প্রস্তুত

মিশনের প্রত্যাশিত ফরমে (তফসিল 'ক', ফরম ৩) বাংলা ও ইংরেজিতে খসড়া তৈরি করি, মৌজা, খতিয়ান ও দাগ নম্বর দিয়ে জমির বিবরণ লিখি এবং পাসপোর্ট, এনআইডি বা জন্মনিবন্ধনের সঙ্গে পরিচয়ের তথ্য মিলিয়ে দেখি।

03মিশনে স্বাক্ষরের প্রস্তুতি তালিকা

হাইকমিশন, দূতাবাস বা কনস্যুলেটে যাওয়ার জন্য একটি চেকলিস্ট: কত কপি, ছবি, পরিচয়পত্র, জমির কাগজ এবং উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া জমি হলে মৃত্যু সনদ ও ওয়ারিশ কাগজ, যাতে প্রথম সাক্ষাতেই কনস্যুলার কর্মকর্তা প্রত্যয়ন করতে পারেন।

04অ্যাপোস্টিল ও সহায়ক কাগজ যাচাই

২০২৫ সালের ৩০ মার্চ থেকে বাংলাদেশ অ্যাপোস্টিল কনভেনশনের পক্ষ, তাই যুক্তরাজ্যের মৃত্যু বা বিবাহ সনদের মতো বিদেশি সরকারি কাগজে অ্যাপোস্টিল নেওয়া যায়। কোন কাগজে অ্যাপোস্টিল আর কোনটিতে মিশনের সত্যায়ন লাগবে, তা আমরা জানিয়ে দিই।

05ঢাকায় সত্যায়ন, স্ট্যাম্প ও রেজিস্ট্রেশন

আমাদের ঢাকা টিম প্রত্যয়িত দলিলটি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যাচাই, স্ট্যাম্প এবং স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত হলে সংশ্লিষ্ট অফিসে রেজিস্ট্রেশন পর্যন্ত নিয়ে যায়, সঙ্গে দেশে পাঠানোর ছয় মাসের সময়সীমার দিকে নজর রাখে।

06প্রয়োজনে রাজউক ও ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ

ঢাকার প্লট ও ফ্ল্যাটের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ বা বাতিলে রাজউকের অনুমোদনের আবেদন তৈরি করি; ব্যাংক বা শেয়ারের কাজে প্রতিনিধি যাওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব শর্ত নিশ্চিত করি।

07দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রজন্মের এনভিআর আবেদন

বাংলাদেশি বাবা-মা বা দাদা-দাদি পর্যন্ত পারিবারিক সূত্র খুঁজে বের করি, জন্মনিবন্ধন, এনআইডি বা দ্বৈত নাগরিকত্ব সনদের মতো প্রমাণ জোগাড় করি এবং মিশনে জমা দেওয়ার জন্য প্রতিটি এনভিআর আবেদন প্রস্তুত করি।

08সীমা, জবাবদিহি ও বাতিল

দলিলে ক্ষমতার সীমা, আপনাকে জানানোর দায়িত্ব ও মেয়াদ শেষের তারিখ রাখি; নির্দেশ পেলে বাতিলের দলিল তৈরি করে ভূমি অফিস, সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ও সম্ভাব্য ক্রেতাকে নোটিশ দিই, যাতে পুরোনো আমমোক্তারনামার অপব্যবহার না হয়।

কীভাবে কাজ হয়

বিদেশ থেকে আমমোক্তারনামা: কীভাবে কাজ হয়

  1. পরামর্শ ও কাগজপত্র যাচাইদিন ১-৩

    ৪০ মিনিটের আন্তর্জাতিক পরামর্শ বুক করুন (US$100)। আমরা আপনার জমির কাগজ, পরিচয়পত্র এবং প্রতিনিধির কাজের পরিধি দেখি, তারপর খসড়া শুরুর আগেই কাজের পরিধি ও নির্ধারিত ফি লিখিতভাবে জানাই।

  2. বিদেশ থেকে আমমোক্তারনামার খসড়া ও অনুমোদনসপ্তাহ ১

    বাংলা ও ইংরেজি খসড়ার সঙ্গে প্রতিটি ক্ষমতার সহজ ব্যাখ্যা পাঠাই। আপনি ও আপনার প্রতিনিধি অনুমোদন দিলে মিশনের গ্রহণযোগ্য ফরমে স্বাক্ষরহীন চূড়ান্ত কপি তৈরি করি।

  3. মিশনে স্বাক্ষরআপনার অ্যাপয়েন্টমেন্টের দিন

    আপনি নিজে হাইকমিশন, দূতাবাস বা কনস্যুলেটে গিয়ে কনস্যুলার কর্মকর্তার সামনে স্বাক্ষর করবেন। সেবার সময় মিশনভেদে আলাদা; যেমন দুবাই কনস্যুলেট জেনারেল সাধারণ সত্যায়ন তিন কর্মদিবসের মধ্যে দেয় বলে জানিয়েছে [2]।

  4. মূল কপি বাংলাদেশে পাঠানোপ্রত্যয়নের ছয় মাসের মধ্যে

    প্রত্যয়িত মূল কপি কুরিয়ারে আমাদের ঢাকা অফিসে পাঠাবেন। সংশোধিত বিধিমালা অনুযায়ী প্রত্যয়নের ছয় মাসের মধ্যে দলিলটি বাংলাদেশে পৌঁছাতে হবে [4], তাই আমরা তারিখ লিখে রাখি এবং আপনার সঙ্গে মিলে পৌঁছানো নিশ্চিত করি।

  5. যাচাই, স্ট্যাম্প ও রেজিস্ট্রেশনদেশে পৌঁছানোর পর, কর্তৃপক্ষভেদে

    পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যাচাই ও স্ট্যাম্প শেষ করি, জমি সংক্রান্ত হলে রেজিস্ট্রেশনও করাই, তারপর স্ক্যান কপির সঙ্গে ছোট একটি নোট পাঠাই যে আপনার প্রতিনিধি এখন ঠিক কী কী করতে পারবেন।

  6. পরিবারের এনভিআর আবেদনএকই সঙ্গে

    সন্তান, নাতি-নাতনি ও স্বামী বা স্ত্রীর জন্য বাংলাদেশি সূত্রের প্রমাণ ও মিশনের ফরমসহ এনভিআর ফাইল তৈরি করি। আগে মিশনের বর্তমান ফি ও শর্ত নিশ্চিত করি এবং বিভিন্ন প্রজন্মের কাগজে নামের অমিলের মতো দেরির কারণ আগেই চিহ্নিত করি।

নির্ধারিত ফি (Fixed fee)

একটি আমমোক্তারনামার খসড়া, মিশনে স্বাক্ষরের প্রস্তুতি এবং ঢাকায় সত্যায়ন ও রেজিস্ট্রেশন একটি নির্ধারিত ফিতে হয়; প্রতিটি এনভিআর আবেদনের ফি আলাদা ও নির্ধারিত। ফি নির্ভর করে সম্পত্তি ও দাতার সংখ্যা এবং রাজউকের অনুমোদন লাগবে কি না তার ওপর। মিশন, স্ট্যাম্প, রেজিস্ট্রেশন ও এনভিআর ফি প্রকৃত খরচে নেওয়া হয়, আর কাজ শুরুর আগে ফি লিখিতভাবে নিশ্চিত করা হয়।

কাজ শুরুর আগে আমরা লিখিতভাবে ফি নিশ্চিত করি। সরকারি ফি, কোর্ট ফি ও স্ট্যাম্প শুল্ক প্রকৃত খরচে যোগ হয়।

প্রশ্নোত্তর

বিদেশ থেকে আমমোক্তারনামা: প্রশ্নোত্তর

বাংলাদেশি পাসপোর্ট ছাড়া কি বিদেশ থেকে আমমোক্তারনামা করা যায়?

হ্যাঁ, পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বিধিমালা, ২০১৫-এর ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারির সংশোধনের পর থেকে যায়। দেশের বাইরে সম্পাদিত দলিলের ক্ষেত্রে বিধি ১০ এখন বাংলাদেশি পাসপোর্ট, বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতদের এনভিআর-যুক্ত বিদেশি পাসপোর্ট, জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধন সনদ গ্রহণ করে [4]। তবু আপনার মিশন বাংলাদেশি পরিচয়ের অন্য প্রমাণ চাইতে পারে, তাই অ্যাপয়েন্টমেন্টের আগে আমরা তাদের বর্তমান তালিকা দেখে নিই [1]। এনআইডি বা জন্মনিবন্ধনে ভুল থাকলে আগে তা সংশোধন করুন, কারণ দলিলের তথ্য পরিচয়পত্রের সঙ্গে হুবহু মিলতে হবে।

দূতাবাসের সত্যায়নের বদলে কি অ্যাপোস্টিল চলবে?

বাংলাদেশ ১৯৬১ সালের অ্যাপোস্টিল কনভেনশনে (Apostille Convention) যোগ দিয়েছে, যা ২০২৫ সালের ৩০ মার্চ থেকে বাংলাদেশের জন্য কার্যকর [3]। তাই আমমোক্তারনামার সঙ্গে ব্যবহৃত বিদেশি সরকারি কাগজ, যেমন যুক্তরাজ্যের মৃত্যু সনদ, অ্যাপোস্টিলের মাধ্যমে প্রত্যয়ন করা যায়। তবে আমমোক্তারনামা নিজে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বিধিমালা অনুযায়ীই সম্পাদিত হয়, যেখানে স্বাক্ষর বাংলাদেশ মিশনের মাধ্যমে হয় [4]। রেজিস্ট্রি অফিসের চর্চা বদলাতে পারে, তাই দলিল বাতিলের ঝুঁকি না নিয়ে স্বাক্ষরের আগেই আমরা আপনার লেনদেনের গ্রহণযোগ্য পথ নিশ্চিত করি।

সব আমমোক্তারনামাই কি বাংলাদেশে রেজিস্ট্রি করতে হয়?

না। জমি, ফ্ল্যাট বা অন্য স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত আমমোক্তারনামা রেজিস্ট্রি করতে হয়, অন্যগুলোর ক্ষেত্রে সাধারণত নোটারি করাই যথেষ্ট [4]। রাজউকের আওতাধীন ঢাকার আবাসিক, বাণিজ্যিক, শিল্প বা প্রাতিষ্ঠানিক প্লট ও ফ্ল্যাটে প্রতিনিধি নিয়োগ বা বাতিলে রাজউকের পূর্বানুমোদনও লাগে [4]। আপনার দলিল কোন শ্রেণিতে পড়ে, তা আমরা শুরুতেই জানিয়ে দিই, যাতে একবারেই সঠিক দলিলে স্বাক্ষর করেন এবং দ্বিতীয়বার মিশনে যেতে না হয়।

বিদেশ থেকে পুরো প্রক্রিয়ায় কত সময় লাগে?

সময় মূলত নির্ভর করে মিশনের অ্যাপয়েন্টমেন্ট ও কুরিয়ারের ওপর। মিশনগুলো নিজেদের সেবার সময় প্রকাশ করে: দুবাই কনস্যুলেট জেনারেল সাধারণ সত্যায়ন তিন কর্মদিবসে এবং জরুরি সেবা একই দিনে দেয় বলে জানিয়েছে [2], আর লন্ডন হাইকমিশনের ২০২৬ সালের জুলাইয়ের বিজ্ঞপ্তিতে আউটরিচ আয়োজনে স্বাক্ষরিত দলিল একই দিনে দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল [1]। দেশে পৌঁছানোর পর যাচাই, স্ট্যাম্প ও রেজিস্ট্রেশনের সময় কর্তৃপক্ষের ওপর নির্ভর করে। সংশোধিত বিধিমালা অনুযায়ী প্রত্যয়নের ছয় মাসের মধ্যে দলিল দেশে পাঠাতে হবে [4]।

ভিসা নীতিমালা ২০২৬ অনুযায়ী কারা এনভিআর পাবেন?

নীতিমালাটি ২০২৬ সালের আগস্টে মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হয় এবং খবর অনুযায়ী সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর হয় [6]। প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, শর্তসাপেক্ষে এনভিআর পাবেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বিদেশি নাগরিক, তাঁদের দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রজন্মের বংশধর এবং বিদেশি স্বামী বা স্ত্রী ও সন্তান [5]। পারিবারিক সূত্রের প্রমাণ হিসেবে দ্বৈত নাগরিকত্ব সনদ, বাংলাদেশি মেশিন রিডেবল বা ই-পাসপোর্ট, এনআইডি, অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ বা নাগরিকত্ব সনদ দেওয়া যায় [5]। আবেদনের আগে ফি, প্রক্রিয়াকরণের সময় ও পুলিশ ভেরিফিকেশন লাগবে কি না, তা আপনার বাংলাদেশ মিশন থেকে নিশ্চিত হয়ে নিন।

আমি বিদেশে থাকলে কি প্রতিনিধি আমার জমি বিক্রি করতে পারবেন?

হ্যাঁ, যদি বিদেশ থেকে আমমোক্তারনামা দলিলে বিক্রির ক্ষমতা স্পষ্টভাবে দেওয়া থাকে এবং স্থাবর সম্পত্তির নিয়ম অনুযায়ী তা রেজিস্ট্রি করা হয় [4]। ক্রেতা ও সাব-রেজিস্ট্রি অফিস দেখে জমির কাগজ হালনাগাদ আছে কি না, তাই স্বাক্ষরের আগেই খতিয়ান, নামজারি ও খাজনার রসিদ যাচাই করে নেওয়ার পরামর্শ দিই। চাইলে ক্ষমতাটি নির্দিষ্ট ক্রেতা, ন্যূনতম দাম বা মেয়াদের মধ্যে সীমিত রাখা যায় এবং আপনাকে জানানোর দায়িত্ব যোগ করা যায়, এতে অপব্যবহারের ঝুঁকি কমে।

উৎস

  1. Bangladesh High Commission London: consular services notice, July 2026 (NVR, power of attorney attestation and fees)
  2. Bangladesh Consulate General Dubai: Power of Attorney (PoA)
  3. HCCH: 1961 Apostille Convention enters into force for Bangladesh
  4. bdnews24: Power of attorney rules eased for expatriates (2025 amendment to the Power of Attorney Rules 2015)
  5. Daily Observer: New visa policy, NVR for Bangladeshi-origin foreign nationals
  6. Daily Observer: Visa Policy 2026 takes effect, replacing Visa Policy 2006
  7. The Daily Star, Your Advocate: succession certificate and powers of attorney signed abroad

সম্পর্কিত

একটি কনসালটেশন দিয়ে শুরু করুন

আপনার তথ্য ও সময়সীমা জানান। কাজ শুরুর আগে আমরা পরিধি, ফি ও সময়সূচি লিখিতভাবে নিশ্চিত করব।

এটি বাংলাদেশের আইন সম্পর্কে সাধারণ তথ্য, আইনি পরামর্শ নয়। জিজ্ঞাসা পাঠালেই আইনজীবী-মক্কেল সম্পর্ক তৈরি হয় না।

Message TRW on WhatsApp