শেয়ার মূলধন হ্রাস: শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ধাপে ধাপে পুরো যাত্রা

by Barrister Tahmidur Rahman | Oct 25, 2026

কেস জার্নি/বাণিজ্যিক

শেয়ার মূলধন হ্রাস: শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ধাপে ধাপে পুরো যাত্রা

শেয়ার মূলধন হ্রাস (reduction of share capital) করতে দুটি জিনিস লাগে: কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর ধারা ৫৯-এর অধীনে শেয়ারহোল্ডারদের বিশেষ সিদ্ধান্ত, এবং ধারা ৬০ থেকে ৬৪-এর অধীনে তা অনুমোদন করে হাইকোর্ট বিভাগের আদেশ। আদালত আপত্তি করার অধিকারী পাওনাদারদের তালিকা নিষ্পত্তি করে এবং প্রত্যেকে সম্মতি দিয়েছেন, পরিশোধিত হয়েছেন বা জামানত পেয়েছেন তা নিশ্চিত করে পাওনাদারদের সুরক্ষা দেন, এবং শর্ত আরোপ করতে পারেন।

ধারা ৬৫ অনুযায়ী অনুমোদন আদেশ ও আদালত-অনুমোদিত কার্যবিবরণী আরজেএসসিতে নিবন্ধিত হলেই কেবল মূলধন হ্রাস কার্যকর হয়।

পাতায় ধাপে ধাপে দেখুন
আদালতের অনুমোদনসাপেক্ষ মূলধন হ্রাস প্রয়োজন কি না নিশ্চিত করুন
▶পূর্ণ স্ক্রিনে চালান১৬টি ধাপ · ৭টি বিকল্প পথ · ৭টি আদালত ও অফিস
কোথা থেকে শুরু
কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ ও সাধারণ সভা; এরপর কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর ধারা ৩ ও ধারা ৬০-এর অধীনে হাইকোর্ট বিভাগ (সংবিধিবদ্ধ…
মূল আইন
কোম্পানি আইন, ১৯৯৪ (ধারা ৩, ৫৩, ৫৭, ৫৮, ৫৯-৭০, ৮৭, ৮৮); কোম্পানি বিধিমালা, ২০০৯ (হাইকোর্ট বিভাগ); দেওয়ানি কার্যবিধি (CPC), ১৯০৮…
সাধারণ সময়কাল
ঢাকার সাধারণ চর্চা অনুযায়ী নির্দেশক সময়সীমা: কোনো পাওনাদার আপত্তি না করলে পর্ষদের সিদ্ধান্ত থেকে আরজেএসসিতে নিবন্ধন…
কে মামলা করতে পারেন
কোম্পানি নিজে, তার পর্ষদ ও শেয়ারহোল্ডারদের মাধ্যমে। আপত্তি করার অধিকারী পাওনাদার এবং বাস্তবে আরজেএসসি ও যেকোনো…
ইন্টারঅ্যাকটিভ যাত্রাপথ · ১৬টি ধাপ

শেয়ার মূলধন হ্রাস: প্রতিটি পর্যায় ধাপে ধাপে

“পরের” চাপুন, কিবোর্ডের তীর-চিহ্ন ব্যবহার করুন অথবা ম্যাপে কোনো আদালতে ট্যাপ করুন। সোনালি চিহ্ন দেখায় আপনার মামলা এখন কোথায়, আর সবুজ রেখা দেখায় মামলাটি কোন পথে এসেছে। পূর্ণ অভিজ্ঞতার জন্য পূর্ণ স্ক্রিনে চালান।

আপনার মামলা এখন কোথায়
ওপরেনিচে ফেরত
প্রতিটি ধাপ লেখা আকারে পড়ুন
  1. শেয়ার মূলধন হ্রাস: ধাপ ১, আদালতের অনুমোদনসাপেক্ষ মূলধন হ্রাস প্রয়োজন কি না নিশ্চিত করুন
    ধাপ ১ · মূলধন হ্রাসের পরিকল্পনা

    আদালতের অনুমোদনসাপেক্ষ মূলধন হ্রাস প্রয়োজন কি না নিশ্চিত করুন

    আইনজীবী প্রথমে যাচাই করেন পরিকল্পনাটি প্রকৃতপক্ষে মূলধন হ্রাস কি না। কেউ নেয়নি এমন অনুমোদিত শেয়ার বাতিল করা ধারা ৫৩-এর অধীনে সাধারণ পরিবর্তন, এতে আদালতের আদেশ লাগে না। ধারা ৫৯-এর অধীনে প্রকৃত মূলধন হ্রাসের মধ্যে রয়েছে অপরিশোধিত শেয়ারের দায় বিলোপ, হারানো বা সম্পদ দ্বারা অপ্রতিফলিত পরিশোধিত মূলধন বাতিল, এবং কোম্পানির প্রয়োজনের অতিরিক্ত মূলধন ফেরত দেওয়া। এ উদ্দেশ্যে শেয়ার প্রিমিয়াম হিসাব ও মূলধন পরিশোধ সঞ্চিতিকে পরিশোধিত মূলধন হিসেবে গণ্য করা হয়। এই পদ্ধতি ছাড়া কোম্পানি নিজের শেয়ার কিনে নিতে পারে না (ধারা ৫৮)।

    সংঘবিধিতে মূলধন হ্রাসের ক্ষমতা থাকতে হবে; না থাকলে আগে বিশেষ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তা সংশোধন করতে হয়।

    কোথায়: কোম্পানির আইনজীবী · সময়: ১-৩ সপ্তাহ · আইন: কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর ধারা ৫৩(১)(ঙ); কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর ধারা ৫৭; কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর ধারা ৫৮(১); কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর ধারা ৫৯(১) · কাগজপত্র: সংঘস্মারক ও সংঘবিধি, সর্বশেষ নিরীক্ষিত হিসাব, সদস্য রেজিস্টার ও শেয়ার মূলধনের ইতিহাস

    পরামর্শ: এই পর্যায়েই আরজেএসসির রেকর্ড নিরীক্ষিত হিসাবের সঙ্গে মিলিয়ে নিন। মূলধনের অঙ্কে অমিল পরে সম্পূরক হলফনামার একটি সাধারণ কারণ।

  2. শেয়ার মূলধন হ্রাস: ধাপ ২, পর্ষদ পরিকল্পনা অনুমোদন করে সভা আহ্বান করে
    ধাপ ২ · মূলধন হ্রাসের পরিকল্পনা

    পর্ষদ পরিকল্পনা অনুমোদন করে সভা আহ্বান করে

    পর্ষদ মূলধন হ্রাসের ধরন ও পরিমাণ, নতুন মূলধন কাঠামো এবং কারণ সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেয়, এবং পাওনাদারদের একটি তালিকা ও কোম্পানির সম্পদ-দায়ের ওপর নিরীক্ষকের বিবরণী অনুমোদন করে, কারণ আদালত এগুলো সম্পর্কে জানতে চাইবেন। ব্যাংক ও অন্যান্য ঋণদাতার ঋণচুক্তিতে প্রায়ই তাদের সম্মতি ছাড়া মূলধনে কোনো পরিবর্তন নিষিদ্ধ থাকে, তাই কোম্পানি আগেভাগেই তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে। এরপর পর্ষদ বিশেষ সিদ্ধান্ত প্রস্তাবের অভিপ্রায় উল্লেখ করে অন্তত একুশ দিনের নোটিশে অসাধারণ সাধারণ সভা আহ্বান করে। উপস্থিত থাকার ও ভোটদানের অধিকারী প্রত্যেক সদস্য সম্মত হলেই কেবল এর চেয়ে কম সময়ের নোটিশ দেওয়া যায়।

    কোথায়: কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ ও সাধারণ সভা · সময়: নোটিশসহ ৩-৬ সপ্তাহ · আইন: কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর ধারা ৮৭(২); কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর ধারা ৫৯(১) · কাগজপত্র: বোর্ড রেজুলেশন, অসাধারণ সাধারণ সভার নোটিশ, ব্যাখ্যামূলক বিবৃতি, সম্পদ ও দায়ের ওপর নিরীক্ষকের বিবরণী, পাওনাদারদের খসড়া তালিকা

    পরামর্শ: সভার আগেই ঋণদাতাদের কাছ থেকে লিখিত সম্মতি নিন। পরে আদালতে বিরোধপূর্ণ দাবি সুরক্ষিত করার চেয়ে এখন একটি সম্মতিপত্র অনেক সস্তা।

  3. শেয়ার মূলধন হ্রাস: ধাপ ৩, তালিকাভুক্ত কোম্পানি: প্রকাশ ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ
    ধাপ ৩ · মূলধন হ্রাসের পরিকল্পনা

    তালিকাভুক্ত কোম্পানি: প্রকাশ ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ

    তালিকাভুক্ত কোম্পানির ক্ষেত্রে শেয়ার মূলধন হ্রাস প্রস্তাবের পর্ষদ সিদ্ধান্ত মূল্য সংবেদনশীল তথ্য। লিস্টিং রেগুলেশনস ও সুবিধাভোগী লেনদেন-সংক্রান্ত বিধিমালা অনুযায়ী তা দ্রুত বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ও স্টক এক্সচেঞ্জকে জানাতে হবে, এবং সুবিধাভোগীরা এর ভিত্তিতে লেনদেন করতে পারবেন না। কোম্পানি আইন নিজে কেবল বিশেষ সিদ্ধান্ত ও আদালতের অনুমোদন চায়, এবং পূর্বানুমোদন স্পষ্টভাবে বাধ্যতামূলক করে এমন কোনো বিএসইসি বিধি নিশ্চিত করা যায়নি। তবু সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন, যেমন আরএন স্পিনিং মিলসের ২০২০ সালের প্রস্তাব নিয়ে, তালিকাভুক্ত কোম্পানির মূলধন হ্রাসকে নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদনসাপেক্ষ বলে বর্ণনা করে।

    ২০১৫ সালের লিস্টিং রেগুলেশনসের রেগুলেশন ৯(i) ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন নির্ধারণ করে, যা ২০২১ সালে ৩০ কোটি টাকা বলে প্রতিবেদিত হয়েছিল, তাই এর নিচে মূলধন হ্রাস সমস্যা তৈরি করে।

    কোথায়: বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ও স্টক এক্সচেঞ্জ (তালিকাভুক্ত কোম্পানি) · সময়: লিস্টিং সময়সীমার মধ্যে প্রকাশ; নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঙ্গে চিঠিপত্র ১-৩ মাস · আইন: সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিন্যান্স, ১৯৬৯; ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (লিস্টিং) রেগুলেশনস, ২০১৫; বিএসইসি (সুবিধাভোগী ব্যবসা নিষিদ্ধকরণ) বিধিমালা, ২০২২ · কাগজপত্র: মূল্য সংবেদনশীল তথ্য প্রকাশ, বোর্ড রেজুলেশন, বিএসইসির কাছে আবেদন বা অবহিতকরণ

    পরামর্শ: ঘোষণার আগে বিএসইসির সর্বশেষ নির্দেশনা যাচাই করুন। তালিকাভুক্ত কোম্পানির শর্তাবলি কোম্পানি আইনের চেয়ে বেশি ঘন ঘন বদলায়।

  4. শেয়ার মূলধন হ্রাস: ধাপ ৪, শেয়ারহোল্ডাররা বিশেষ সিদ্ধান্ত পাস করেন
    ধাপ ৪ · শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন

    শেয়ারহোল্ডাররা বিশেষ সিদ্ধান্ত পাস করেন

    সাধারণ সভায় শেয়ার মূলধন হ্রাসের বিশেষ সিদ্ধান্ত সশরীরে বা প্রক্সির মাধ্যমে উপস্থিত ভোটদানের অধিকারী সদস্যদের অন্তত তিন-চতুর্থাংশ ভোটে পাস হতে হবে। ধারা ৫৯(২) একে শেয়ার মূলধন হ্রাসের সিদ্ধান্ত বলে। সিদ্ধান্তে সঠিক অঙ্ক উল্লেখ থাকা উচিত: আগের ও পরের মূলধন, শেয়ারের সংখ্যা ও অভিহিত মূল্য, এবং সদস্যদের কত টাকা ফেরত দেওয়া হবে (যদি দেওয়া হয়)। পোল দাবি করা হলে প্রত্যেক সদস্য সংঘবিধি অনুযায়ী তাঁর প্রাপ্য ভোট পান। কার্যবিবরণীতে সভাপতি স্বাক্ষর করেন, এবং এই সিদ্ধান্তটিই পরে হাইকোর্ট বিভাগকে অনুমোদন করতে বলা হবে।

    কোথায়: কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ ও সাধারণ সভা · সময়: সভার দিন · আইন: কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর ধারা ৫৯(২); কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর ধারা ৮৭(১)-(৬) · কাগজপত্র: বিশেষ সিদ্ধান্ত, স্বাক্ষরিত কার্যবিবরণী, উপস্থিতি ও প্রক্সি রেজিস্টার, পোলের ফলাফল (যদি থাকে)

  5. ধাপ ৫: বিশেষ সিদ্ধান্ত আরজেএসসিতে দাখিল করুন
    ধাপ ৫ · শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন

    বিশেষ সিদ্ধান্ত আরজেএসসিতে দাখিল করুন

    ধারা ৮৮ অনুযায়ী সভার পনেরো দিনের মধ্যে বিশেষ সিদ্ধান্তের সত্যায়িত কপি যৌথমূলধনী কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তরের রেজিস্ট্রারের কাছে দাখিল করতে হবে। দেরিতে দাখিল করলে দৈনিক জরিমানা হয়। মূলধন হ্রাসে সদস্যদের মূলধন ফেরত দেওয়া বা অপরিশোধিত শেয়ারের দায় কমানো জড়িত থাকলে ধারা ৬১ অনুযায়ী সিদ্ধান্তের তারিখ থেকে আদালত-নির্ধারিত তারিখ পর্যন্ত কোম্পানিকে তার নামের সঙ্গে 'and reduced' (এবং হ্রাসকৃত) শব্দগুলোও যোগ করতে হয়। আরজেএসসিকে সাধারণত পরবর্তী আদালত পিটিশনে প্রতিপক্ষ করা হয়, যাতে চূড়ান্ত আদেশ তার ওপর বাধ্যকর হয়।

    কোথায়: যৌথমূলধনী কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর (RJSC) · সময়: সভার ১৫ দিনের মধ্যে · আইন: কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর ধারা ৮৮(১) ও (৪); কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর ধারা ৬১ · কাগজপত্র: বিশেষ সিদ্ধান্তের সত্যায়িত কপি, আরজেএসসির দাখিল রসিদ

  6. ধাপ ৬: কোম্পানি পিটিশন প্রস্তুত করুন
    ধাপ ৬ · আদালতে পিটিশন ও পাওনাদার

    কোম্পানি পিটিশন প্রস্তুত করুন

    কোম্পানির আইনজীবী একজন পরিচালকের শপথকৃত হলফনামা দ্বারা সমর্থিত ধারা ৬০-এর পিটিশনের খসড়া করেন। এতে কোম্পানির ইতিহাস, আগের ও পরের মূলধন, কারণ, সিদ্ধান্ত ও পাওনাদারদের অবস্থা বর্ণনা করা হয়, এবং নিরীক্ষিত হিসাব ও পাওনাদারদের তালিকা সংযুক্ত করা হয়। সাধারণ প্রতিপক্ষ হলো আরজেএসসি এবং প্রাসঙ্গিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক ও কোম্পানির ব্যাংকসমূহ। দি ইবনে সিনা পলিমার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড (২০২৬) মামলায় আবেদনকারী বাংলাদেশ ব্যাংক ও তার হিসাবধারী ব্যাংকগুলোকে পক্ষভুক্ত করেছিল, যাতে পরে কেউ নোটিশ না পাওয়ার দাবি করতে না পারে। প্রার্থনায় প্রয়োজনীয় প্রতিটি আনুষঙ্গিক নির্দেশনা, যেমন আরজেএসসির রেকর্ড সংশোধন, অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।

    কোথায়: কোম্পানির আইনজীবী · সময়: ২-৪ সপ্তাহ · আইন: কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর ধারা ৬০; কোম্পানি বিধিমালা, ২০০৯; কোম্পানি ম্যাটার নং ১৯৩৬/২০২৫ (হাইকোর্ট বিভাগ, ০৫.০৭.২০২৬) · কাগজপত্র: ধারা ৬০-এর পিটিশন, সমর্থনকারী হলফনামা, বিশেষ সিদ্ধান্ত ও কার্যবিবরণী, নিরীক্ষিত হিসাব, পাওনাদারদের তালিকা, দায়েরের ক্ষমতা দেওয়া বোর্ড রেজুলেশন, ওকালতনামা

  7. ধাপ ৭: হাইকোর্ট বিভাগের কোম্পানি বেঞ্চে দাখিল করুন
    ধাপ ৭ · আদালতে পিটিশন ও পাওনাদার

    হাইকোর্ট বিভাগের কোম্পানি বেঞ্চে দাখিল করুন

    পিটিশনটি হাইকোর্ট বিভাগে দাখিল করা হয়, যাকে ধারা ৩ কোম্পানি আইনের অধীনে 'আদালত' হিসেবে নির্ধারণ করেছে। এটি কোম্পানি ম্যাটার হিসেবে নিবন্ধিত হয় এবং প্রধান বিচারপতি কোম্পানি ম্যাটারের জন্য যে একক বিচারককে দায়িত্ব দিয়েছেন তাঁর সামনে কার্যতালিকাভুক্ত হয়। কোনো মূল্যসীমা নেই: বড় বা ছোট, প্রতিটি মূলধন হ্রাস এই আদালতেই যায়। সরকার প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে কোনো জেলা আদালতকে কোম্পানি এখতিয়ার প্রয়োগের ক্ষমতা দিতে পারে, তবে বাস্তবে পিটিশন ঢাকাতেই দাখিল হয়। দাখিলের সময় কোর্ট ফি ও প্রসেস ফি দেওয়া হয়, এবং পিটিশনটি গ্রহণ ও নির্দেশনার জন্য উপস্থাপিত হয়।

    কোথায়: হাইকোর্ট বিভাগ · সময়: প্রথম কার্যতালিকায় উঠতে ১-৪ সপ্তাহ · আইন: কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর ধারা ৩(১); কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর ধারা ৬০; গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০৭(৩) · কাগজপত্র: সংযুক্তিসহ দাখিলকৃত পিটিশন, কোর্ট ফি ও প্রসেস ফির রসিদ

  8. ধাপ ৮: পাওনাদার ও বিজ্ঞাপন বিষয়ে নির্দেশনা
    ধাপ ৮ · আদালতে পিটিশন ও পাওনাদার

    পাওনাদার ও বিজ্ঞাপন বিষয়ে নির্দেশনা

    প্রথম শুনানিতে আদালত নির্দেশনা দেন। মূলধন হ্রাসে সদস্যদের অর্থ প্রদান বা অপরিশোধিত শেয়ারের দায় কমানো জড়িত থাকলে আদালত-নির্ধারিত তারিখে প্রমাণযোগ্য দাবি আছে এমন প্রত্যেক পাওনাদার আর কোনো অনুমতি ছাড়াই আপত্তি করার অধিকারী। অন্যান্য ক্ষেত্রে আদালত অনুমতি দিলে তবেই পাওনাদাররা আপত্তি করতে পারেন। আদালত সেই তারিখ নির্ধারণ করেন, প্রতিপক্ষদের নোটিশের আদেশ দেন এবং জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞাপনের নির্দেশ দিতে পারেন। ধারা ৬৯ অনুযায়ী আদালত কোম্পানিকে মূলধন হ্রাসের কারণ প্রকাশ করতেও আদেশ দিতে পারেন। কেবল হারানো মূলধন অবলোপনের ক্ষেত্রে আদালত সিদ্ধান্ত দিতে পারেন যে পাওনাদারদের অধিকার ক্ষুণ্ন হয় না।

    কোথায়: হাইকোর্ট বিভাগ · সময়: ১-২ মাস · আইন: কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর ধারা ৬২(১); কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর ধারা ৬৯; কোম্পানি বিধিমালা, ২০০৯ · কাগজপত্র: নির্দেশনাসহ আদেশ, বিজ্ঞাপনের খসড়া, প্রতিপক্ষদের প্রতি নোটিশ

  9. ধাপ ৯: পাওনাদারদের প্রতি নোটিশ ও বিজ্ঞাপন
    ধাপ ৯ · আদালতে পিটিশন ও পাওনাদার

    পাওনাদারদের প্রতি নোটিশ ও বিজ্ঞাপন

    কোম্পানি আরজেএসসি, নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও জানা পাওনাদারদের কাছে আদালতের নোটিশ পৌঁছে দেয় এবং আদালতের আদেশমতো বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে, সাধারণত একটি বাংলা ও একটি ইংরেজি দৈনিকে। নোটিশে পাওনাদারদের অধিকার নির্ধারণের তারিখ, কোথায় পিটিশন পরিদর্শন করা যাবে এবং আপত্তিকারী পাওনাদারদের তালিকায় স্থান দাবির শেষ সময় জানানো হয়। কোম্পানি সংবাদপত্রের পাতার কপিসহ নোটিশ জারি ও প্রকাশের হলফনামা দাখিল করে। যে পাওনাদার সময়সীমা পার করেন তিনি আপত্তির অধিকার হারান, যদিও কার্যধারার কথা কখনো জানতেন না এমন পাওনাদারকে ধারা ৬৭ সুরক্ষা দেয়।

    কোথায়: পাওনাদার ও ঋণদাতা ব্যাংক · সময়: ৩-৬ সপ্তাহ · আইন: কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর ধারা ৬২(২); কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর ধারা ৬৭(১)-এর শর্তাংশ · কাগজপত্র: সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন, ডাক ও কুরিয়ারের রসিদ, নোটিশ জারি ও প্রকাশের হলফনামা

  10. ধাপ ১০: আদালত পাওনাদারদের তালিকা নিষ্পত্তি করেন
    ধাপ ১০ · আদালতে পিটিশন ও পাওনাদার

    আদালত পাওনাদারদের তালিকা নিষ্পত্তি করেন

    ধারা ৬২(২) অনুযায়ী আদালত আপত্তি করার অধিকারী পাওনাদারদের তালিকা নিষ্পত্তি করেন। আদালত যতদূর সম্ভব আবেদনের অপেক্ষা না করে পাওনাদারদের নাম এবং তাঁদের দাবির প্রকৃতি ও পরিমাণ নির্ধারণ করেন, এবং মূলত তালিকায় ছিলেন না এমন পাওনাদারদের দাবিও নিষ্পত্তি করেন। কোম্পানি পাওনাদারদের একটি সত্যায়িত তালিকা এবং তা যাচাইকারী একজন কর্মকর্তার হলফনামা দিয়ে এতে সহায়তা করে। কোনো পাওনাদারকে গোপন করা বা দাবি ভুলভাবে বর্ণনা করা ধারা ৬৮-এর অধীনে ফৌজদারি অপরাধ, যার শাস্তি সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড, তাই তালিকা সম্পূর্ণ ও সঠিক হতে হবে।

    কোথায়: হাইকোর্ট বিভাগ · সময়: ১-৩ মাস · আইন: কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর ধারা ৬২(২); কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর ধারা ৬৮ · কাগজপত্র: পাওনাদারদের সত্যায়িত তালিকা, কর্মকর্তার যাচাইকারী হলফনামা, পাওনাদারদের দাখিলকৃত দাবি

  11. ধাপ ১১: তালিকাভুক্ত প্রত্যেক পাওনাদারের সম্মতি নিন, পরিশোধ করুন বা জামানত দিন
    ধাপ ১১ · আদালতে পিটিশন ও পাওনাদার

    তালিকাভুক্ত প্রত্যেক পাওনাদারের সম্মতি নিন, পরিশোধ করুন বা জামানত দিন

    তালিকার প্রত্যেক পাওনাদারকে হয় লিখিত সম্মতি দিতে হবে, নয়তো পরিশোধিত হতে হবে, দাবি নির্ধারিত হতে হবে, অথবা জামানত পেতে হবে। তালিকাভুক্ত কোনো পাওনাদার সম্মতি দিতে অস্বীকার করলে, কোম্পানি স্বীকৃত দাবির পূর্ণ অঙ্ক আলাদা রাখলে ধারা ৬৩ আদালতকে সেই সম্মতি থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সুযোগ দেয়। বিরোধপূর্ণ, সম্ভাব্য বা অনির্ধারিত দাবির ক্ষেত্রে, কোম্পানি অবসায়নাধীন হলে যেমন হতো সেভাবে তদন্তের পর আদালত যে অঙ্ক নির্ধারণ করেন, কোম্পানি তা আলাদা রাখে। জামানত সাধারণত হয় ব্যাংক গ্যারান্টি, লিয়েনকৃত স্থায়ী আমানত বা আদালতে জমা দেওয়া অর্থের আকারে। অধিকাংশ কোম্পানি চূড়ান্ত শুনানির আগেই বাণিজ্যিকভাবে আপত্তির নিষ্পত্তি করে।

    কোথায়: পাওনাদার ও ঋণদাতা ব্যাংক · সময়: ১-৪ মাস · আইন: কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর ধারা ৬৩; কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর ধারা ৬৪ · কাগজপত্র: পাওনাদারদের সম্মতিপত্র, পরিশোধের প্রমাণ, ব্যাংক গ্যারান্টি বা আমানতের রসিদ, ধারা ৬৩-এর অধীনে আবেদন

  12. ধাপ ১২: অনুমোদনের চূড়ান্ত শুনানি
    ধাপ ১২ · অনুমোদন আদেশ

    অনুমোদনের চূড়ান্ত শুনানি

    চূড়ান্ত শুনানিতে আদালতকে আপত্তি করার অধিকারী প্রত্যেক পাওনাদার সম্পর্কে সন্তুষ্ট হতে হবে। আদালত আরও দেখেন সিদ্ধান্তটি বৈধভাবে পাস হয়েছে কি না, একই শ্রেণির শেয়ারহোল্ডারদের প্রতি ন্যায্য আচরণ করা হচ্ছে কি না, এবং জনসাধারণ ও ভবিষ্যৎ বিনিয়োগকারীদের সঠিক তথ্য দেওয়া হচ্ছে কি না। আপত্তিকারী সদস্য বা পাওনাদারদের বক্তব্য শোনা হতে পারে। ২০২৬ সালের ইবনে সিনা পলিমার রায়ে আদালত স্ফীত চাঁদার অঙ্ক সংশোধনের জন্য করা একটি বিরোধহীন মূলধন হ্রাস অনুমোদন করেন। আদালত উল্লেখ করেন যে নোটিশের পর কোনো আপত্তি আসেনি, এবং সিদ্ধান্ত দেন যে অনুমোদন আদেশ পূর্ণ কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় আনুষঙ্গিক নির্দেশনা আদালত দিতে পারেন।

    কোথায়: হাইকোর্ট বিভাগ · সময়: ১-৩ শুনানি দিবস; প্রায়ই দায়েরের ৩-৯ মাস পর · আইন: কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর ধারা ৬৪; কোম্পানি ম্যাটার নং ১৯৩৬/২০২৫ (হাইকোর্ট বিভাগ, ০৫.০৭.২০২৬) · কাগজপত্র: নোটিশ ও পাওনাদার বিষয়ে প্রতিপালনের হলফনামা, লিখিত যুক্তি, মূলধন হ্রাসের খসড়া কার্যবিবরণী

  13. ধাপ ১৩: মূলধন হ্রাস অনুমোদনের আদেশ
    ধাপ ১৩ · অনুমোদন আদেশ

    মূলধন হ্রাস অনুমোদনের আদেশ

    আদালত যথাযথ মনে করেন এমন শর্তে মূলধন হ্রাস অনুমোদন করেন এবং একটি কার্যবিবরণী (minute) অনুমোদন করেন, যাতে হ্রাসকৃত শেয়ার মূলধন, শেয়ারের সংখ্যা, প্রতিটি শেয়ারের অভিহিত মূল্য এবং প্রতিটিতে পরিশোধিত বলে গণ্য অঙ্ক দেখানো হয়। আদালত সিদ্ধান্ত দেন নামের সঙ্গে 'and reduced' শব্দগুলো যোগ করতে হবে কি না এবং কতদিনের জন্য। কোনো মূলধন ফেরত দেওয়া না হলে এবং কোনো দায় কমানো না হলে আদালত তা সম্পূর্ণ মওকুফ করতে পারেন। সাধারণ শর্তের মধ্যে রয়েছে আরজেএসসিতে দাখিলের সময়সীমা, সংবাদপত্রে মূলধন হ্রাস প্রকাশ এবং আদালতে প্রতিপালনের হলফনামা দাখিল।

    কোথায়: হাইকোর্ট বিভাগ · সময়: রায়ের দিন; সার্টিফায়েড কপি ১-৪ সপ্তাহে · আইন: কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর ধারা ৬৪; কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর ধারা ৬১-এর শর্তাংশ; কোম্পানি বিধিমালা, ২০০৯, বিধি ২৩-২৪; কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর ধারা ৬৫(১)(খ) · কাগজপত্র: রায় ও আদেশ, আদালত-অনুমোদিত কার্যবিবরণী, আদেশের সার্টিফায়েড কপি

    পরামর্শ: রায়ের দিনই সার্টিফায়েড কপির আবেদন করুন। আদালত দাখিলের যে সময়সীমা দেন, তা সাধারণত আদেশ প্রস্তুতের দিন থেকে গোনা হয়।

  14. ধাপ ১৪: আদেশ ও কার্যবিবরণী আরজেএসসিতে নিবন্ধন করুন
    ধাপ ১৪ · নিবন্ধন ও বাস্তবায়ন

    আদেশ ও কার্যবিবরণী আরজেএসসিতে নিবন্ধন করুন

    কোম্পানি আদেশের সার্টিফায়েড কপি ও অনুমোদিত কার্যবিবরণী আরজেএসসিতে উপস্থাপন করে, যা ধারা ৬৫(১) অনুযায়ী তাকে নিবন্ধন করতে হয়। এই ধাপই মূলধন হ্রাসকে আইনত কার্যকর করে: ধারা ৬৫(২) অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিবন্ধনের দিন থেকে কার্যকর হয়, আগে নয়। এরপর রেজিস্ট্রার নিবন্ধন প্রত্যয়ন করেন, এবং সেই সনদ চূড়ান্ত প্রমাণ যে আইনের শর্তাবলি পূরণ হয়েছে এবং মূলধন কার্যবিবরণীতে উল্লিখিত অঙ্কের সমান। আদালত প্রায়ই স্বল্প সময়সীমা দেন: ইবনে সিনা পলিমার মামলায় তা ছিল আদেশ প্রস্তুতের দিন থেকে তিন সপ্তাহ।

    কোথায়: যৌথমূলধনী কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর (RJSC) · সময়: ২-৬ সপ্তাহ · আইন: কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর ধারা ৬৫(১), (২) ও (৪) · কাগজপত্র: আদেশের সার্টিফায়েড কপি, আদালত-অনুমোদিত কার্যবিবরণী, আরজেএসসির ফরম ও ফি রসিদ, রেজিস্ট্রারের নিবন্ধন সনদ

  15. ধাপ ১৫: নিবন্ধন প্রকাশ করে প্রতিপালন প্রতিবেদন দিন
    ধাপ ১৫ · নিবন্ধন ও বাস্তবায়ন

    নিবন্ধন প্রকাশ করে প্রতিপালন প্রতিবেদন দিন

    ধারা ৬৫(৩) অনুযায়ী আদালতের নির্দেশমতো নিবন্ধনের নোটিশ প্রকাশ করা হয়, সাধারণত দুটি জাতীয় দৈনিকে। এরপর কোম্পানি সংবাদপত্রের পাতা ও আরজেএসসির সনদসহ হাইকোর্ট বিভাগে প্রতিপালনের হলফনামা দাখিল করে। ধারা ৬৬ অনুযায়ী নিবন্ধিত কার্যবিবরণী সংঘস্মারকের মূলধন-সংক্রান্ত অনুচ্ছেদের স্থলাভিষিক্ত হয়, এবং এরপর ইস্যু করা সংঘস্মারকের প্রতিটি কপিতে তা অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে। তালিকাভুক্ত কোম্পানি সম্পন্ন শেয়ার মূলধন হ্রাসের বিষয়টি বিএসইসি ও স্টক এক্সচেঞ্জকেও জানায় এবং তার শেয়ারধারণের রেকর্ড হালনাগাদের ব্যবস্থা করে।

    কোথায়: কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ ও সাধারণ সভা · সময়: ২-৬ সপ্তাহ · আইন: কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর ধারা ৬৫(৩); কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর ধারা ৬৬ · কাগজপত্র: সংবাদপত্রে নোটিশ, প্রতিপালনের হলফনামা, হালনাগাদ সংঘস্মারক

  16. ধাপ ১৬: অর্থ প্রদান, রেজিস্টার হালনাগাদ ও কর বিষয়ক ব্যবস্থা
    ধাপ ১৬ · নিবন্ধন ও বাস্তবায়ন

    অর্থ প্রদান, রেজিস্টার হালনাগাদ ও কর বিষয়ক ব্যবস্থা

    মূলধন ফেরত দেওয়া হলে কার্যবিবরণী অনুযায়ী রেজিস্টারভুক্ত সদস্যদের অর্থ প্রদান করা হয়, এবং শেয়ার সার্টিফিকেট ও সদস্য রেজিস্টার হালনাগাদ করা হয়। আরজেএসসিতে পরবর্তী বার্ষিক রিটার্নে নতুন মূলধন দেখানো হয়। কোম্পানির সঞ্চিত মুনাফার পরিমাণ পর্যন্ত শেয়ারহোল্ডারদের প্রদত্ত অর্থ আয়করের ক্ষেত্রে লভ্যাংশ হিসেবে গণ্য হতে পারে, তাই অর্থ প্রদানের আগে কর-পরামর্শ নিন। অনিবাসী শেয়ারহোল্ডারদের অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা বিধি অনুযায়ী অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকের মাধ্যমে পাঠানো হয়। ধারা ৬৫-এর নিবন্ধনের পর সদস্যরা তাঁদের শেয়ারের হ্রাসকৃত অঙ্কের বেশি দায়ী নন, তবে কার্যধারার কথা না জেনে তালিকা থেকে বাদ পড়া পাওনাদারের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম।

    কোথায়: কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ ও সাধারণ সভা · সময়: ১-৩ মাস · আইন: কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর ধারা ৬৭; আয়কর আইন, ২০২৩ (লভ্যাংশের সংজ্ঞা); বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৪৭ · কাগজপত্র: অর্থ প্রদানের রেকর্ড, হালনাগাদ সদস্য রেজিস্টার, নতুন বা পৃষ্ঠাঙ্কিত শেয়ার সার্টিফিকেট, উৎসে কর কর্তনের রেকর্ড, ব্যাংকের রেমিট্যান্সের কাগজপত্র

বিকল্প পথ · আপিল, রিভিশন, রিভিউ, রেফারেন্স, রিমান্ড

যদি এমন হয়…? শেয়ার মূলধন হ্রাস যেভাবে গতিপথ বদলাতে পারে

একটি পরিস্থিতি বেছে নিন। ম্যাপটি দেখাবে মামলা কীভাবে উচ্চ আদালতে ওঠে, আর ফেরত পাঠানো হলে কীভাবে নিম্ন আদালতে নেমে আবার ওপরে যায়।

এই পরিস্থিতির পথ
ওপরেফেরত
আপিল · কোম্পানি বেঞ্চ → আপিল বিভাগ

কোম্পানি বেঞ্চ অনুমোদন নামঞ্জুর করলে, বা আপত্তিকারী হেরে গেলে কী হবে?

  1. 1
    সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ

    লিভ টু আপিলের সিভিল পিটিশন

    কোম্পানি বেঞ্চের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগের অন্য কোনো বেঞ্চে আপিল চলে না। অনুমোদন না পাওয়া কোম্পানি, অথবা যে পাওনাদার বা সদস্যের আপত্তি ব্যর্থ হয়েছে, আদেশের ষাট দিনের মধ্যে অনুচ্ছেদ ১০৩-এর অধীনে আপিল বিভাগে লিভ টু আপিলের সিভিল পিটিশন দাখিল করেন। স্থগিতাদেশের জরুরি আবেদন চেম্বার জজ শুনতে পারেন। গুরুত্বপূর্ণ আইনগত প্রশ্ন বা গুরুতর ভুল দেখানো গেলে তবেই অনুমতি দেওয়া হয়।

    দায়েরের জন্য ৬০ দিন; অনুমতির সিদ্ধান্তে ৬-১৮ মাসগণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০৩(৩)বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট (আপিল বিভাগ) বিধিমালা, ১৯৮৮-এর আদেশ ১৩ বিধি ১
  2. 2
    সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ

    সিভিল আপিল ও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত

    অনুমতি মিললে পিটিশনটি সিভিল আপিলে পরিণত হয়। আপিল বিভাগ অনুমোদন আদেশ বহাল, বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারেন, অথবা পাওনাদারদের সুরক্ষায় নতুন শর্ত আরোপ করতে পারেন। অনুচ্ছেদ ১১১ অনুযায়ী এর সিদ্ধান্ত সব আদালতের জন্য বাধ্যকর। স্থগিতাদেশ না হওয়া পর্যন্ত কোম্পানি আরজেএসসিতে অনুমোদন আদেশ নিবন্ধন করতে পারে, তবে লিভ পিটিশন বিচারাধীন থাকা অবস্থায় তা করা ঝুঁকিপূর্ণ।

    ১-৩ বছরগণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০৩গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১১

শেষ পর্যন্ত যেখানে গড়ায়: আপিল বিভাগের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত, এবং যে আদেশ এটি বহাল রাখে বা দেয় তা আরজেএসসিতে নিবন্ধিত হয়।

বিকল্প পথ · কোম্পানি বেঞ্চ → আপিল বিভাগ

কোম্পানি বেঞ্চের আদেশের বিরুদ্ধে কি সিভিল রিভিশন চলে?

  1. 1
    হাইকোর্ট বিভাগ

    রিভিশন বারিত; এর বদলে লিভ বা রিভিউ

    কার্যবিধির ধারা ১১৫-এর অধীনে সিভিল রিভিশন অধস্তন আদালতের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে যায়। হাইকোর্ট বিভাগের নিজের আদেশের বিরুদ্ধে তা ব্যবহার করা যায় না, তাই কোম্পানি বেঞ্চের অন্তর্বর্তী আদেশ, যেমন বিজ্ঞাপন বিষয়ে নির্দেশনা বা কোনো পাওনাদারকে তালিকায় যুক্ত করতে অস্বীকৃতি, রিভিশনযোগ্য নয়। কোনো পক্ষকে একই বেঞ্চের কাছে আদেশ পরিবর্তন বা রিভিউয়ের অনুরোধ করতে হবে, অথবা আপিল বিভাগে অনুমতি চাইতে হবে। ধারা ৩-এর অধীনে কোনো জেলা আদালতকে কোম্পানি এখতিয়ার প্রয়োগের জন্য প্রজ্ঞাপিত করা হলেই কেবল রিভিশন প্রাসঙ্গিক হতো।

    প্রযোজ্য নয়দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১১৫কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর ধারা ৩(১)-এর শর্তাংশগণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০৩

শেষ পর্যন্ত যেখানে গড়ায়: কোম্পানি বেঞ্চের অন্তর্বর্তী ও চূড়ান্ত আদেশ রিভিউ বা আপিল বিভাগে লিভের মাধ্যমে চ্যালেঞ্জ করা হয়, রিভিশনের মাধ্যমে নয়।

রিভিউ · কোম্পানি বেঞ্চ → কোম্পানি বেঞ্চ

কোম্পানি বেঞ্চ কি নিজের আদেশ পুনর্বিবেচনা করতে পারেন?

  1. 1
    হাইকোর্ট বিভাগ

    একই বেঞ্চে রিভিউ বা সংশোধন

    নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য পাওয়া, নথিতে দৃশ্যমান ভুল বা অন্য পর্যাপ্ত কারণে কোনো পক্ষ কার্যবিধির ধারা ১১৪ ও আদেশ ৪৭-এর অধীনে কোম্পানি বেঞ্চকে তার আদেশ রিভিউ (review) করতে বলতে পারেন। আদেশ বা কার্যবিবরণীর করণিক বা গাণিতিক ভুল ধারা ১৫২-এর অধীনে সংশোধন করা যায়। বাস্তবে কোম্পানি সময় বৃদ্ধি বা সংশোধিত নির্দেশনার জন্যও একই বেঞ্চে আবেদন করে, যেমন যখন আরজেএসসির সময়সীমা পূরণ করা সম্ভব হয় না।

    আদেশের পর দ্রুত দাখিল করুন; ১-৬ মাসদেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১১৪দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ৪৭ বিধি ১দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১৫২

শেষ পর্যন্ত যেখানে গড়ায়: বেঞ্চ নিজের আদেশ বহাল, সংশোধন বা পরিবর্তন করেন, এবং সংশোধিত আদেশ আরজেএসসিতে দাখিল করা হয়।

রেফারেন্স · কোম্পানি বেঞ্চ → কোম্পানি বেঞ্চ → আপিল বিভাগ

সন্দেহজনক কোনো প্রশ্ন কি অন্য আদালতে রেফার করা যায়?

  1. 1
    হাইকোর্ট বিভাগ

    ধারা ১১৩-এর রেফারেন্স নেই; বেঞ্চই সিদ্ধান্ত দেন

    কার্যবিধির ধারা ১১৩ ও আদেশ ৪৬-এর অধীনে রেফারেন্স অধস্তন আদালত হাইকোর্ট বিভাগে পাঠায়, তাই হাইকোর্ট বিভাগ নিজেই যেখানে প্রথম আদালত সেখানে তা প্রযোজ্য নয়। বিরোধপূর্ণ পাওনাদার দাবি কোম্পানি বেঞ্চ ধারা ৬৩-এর অধীনে অবসায়নের মতো তদন্তের পর নিষ্পত্তি করেন। বিচারক হাইকোর্ট বিভাগের আগের কোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে সন্দিহান হলে বৃহত্তর বেঞ্চ গঠনের জন্য বিষয়টি প্রধান বিচারপতির কাছে উপস্থাপন করতে পারেন। সাধারণ গুরুত্বের কোনো প্রশ্ন এরপর অনুমতি সাপেক্ষে আপিল বিভাগে যায়।

    পিটিশনের মধ্যেইদেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১১৩কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর ধারা ৬৩(খ)গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০৭(৩)

শেষ পর্যন্ত যেখানে গড়ায়: কোম্পানি বেঞ্চ নিজেই প্রশ্নটি নিষ্পত্তি করেন, এবং যেকোনো আইনগত প্রশ্ন চূড়ান্তভাবে আপিল বিভাগে নিষ্পত্তি হয়।

রিমান্ড (ফেরত) · কোম্পানি বেঞ্চ → আপিল বিভাগ → কোম্পানি বেঞ্চ → আপিল বিভাগ

আপিল বিভাগ পিটিশন ফেরত পাঠালে কী হবে?

  1. 1
    সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ

    আদেশ বাতিল ও পিটিশন ফেরত

    আপিল বিভাগ যদি দেখেন যে কোম্পানি বেঞ্চ যথাযথভাবে নিষ্পত্তিকৃত পাওনাদার তালিকা ছাড়াই মূলধন হ্রাস অনুমোদন করেছেন, অথবা আইনের ভুল দৃষ্টিভঙ্গিতে নামঞ্জুর করেছেন, তাহলে আদেশ বাতিল করে নতুন শুনানির জন্য পিটিশন ফেরত পাঠাতে পারেন। আপিল বিভাগ সাধারণত নির্দেশনা দেন, যেমন নতুন নোটিশ জারি, তালিকা আবার নিষ্পত্তি বা বিরোধপূর্ণ দাবি সুরক্ষিত করা।

    রায়ের সময়গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০৩গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০৪কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর ধারা ৬২(২)
  2. 2
    হাইকোর্ট বিভাগ

    কোম্পানি বেঞ্চে পুনঃশুনানি

    কোম্পানি ম্যাটারটি হাইকোর্ট বিভাগে পুনরুজ্জীবিত হয়। কোম্পানি নির্দেশনা প্রতিপালন করে, নোটিশ জারি ও পাওনাদার-সংক্রান্ত প্রতিপালনের নতুন হলফনামা দাখিল করে, এবং বেঞ্চ সংশোধিত নথির ভিত্তিতে পিটিশনটি আবার শোনেন। এরপর বেঞ্চ শর্তসহ বা ছাড়া মূলধন হ্রাস অনুমোদন বা নামঞ্জুরের নতুন আদেশ দেন, এবং অঙ্ক বদলে থাকলে নতুন কার্যবিবরণী অনুমোদন করেন।

    ৩-৯ মাসকোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর ধারা ৬২-৬৪কোম্পানি বিধিমালা, ২০০৯
  3. 3
    সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ

    প্রয়োজনে আবার আপিল বিভাগে

    নতুন আদেশও আবার ষাট দিনের মধ্যে লিভ টু আপিলের সিভিল পিটিশনের মাধ্যমে চ্যালেঞ্জ করা যায়। দ্বিতীয়বার যাওয়া বিরল, কারণ ফেরতের নির্দেশনাই সাধারণত বিষয়টির নিষ্পত্তি করে দেয়। কোনো চ্যালেঞ্জ বিচারাধীন না থাকলে আদেশ ও কার্যবিবরণী আরজেএসসিতে নিবন্ধিত হয় এবং শেয়ার মূলধন হ্রাস কার্যকর হয়।

    দায়েরের জন্য ৬০ দিনগণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০৩আপিল বিভাগ বিধিমালা, ১৯৮৮-এর আদেশ ১৩ বিধি ১

শেষ পর্যন্ত যেখানে গড়ায়: পুনঃশুনানিতে মূলধন হ্রাস অনুমোদিত বা নামঞ্জুর হয়, এবং অনুমোদিত হলে তা আরজেএসসিতে নিবন্ধিত হয়।

রিভিউ · আপিল বিভাগ → আপিল বিভাগ

আপিল বিভাগ কি নিজের রায় রিভিউ করতে পারেন?

  1. 1
    সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ

    অনুচ্ছেদ ১০৫-এর অধীনে রিভিউ

    আপিল বিভাগের চূড়ান্ত রায়ের পর একমাত্র প্রতিকার অনুচ্ছেদ ১০৫-এর অধীনে ত্রিশ দিনের মধ্যে দাখিলকৃত রিভিউ পিটিশন। দেওয়ানি বিষয়ে কারণগুলো কার্যবিধির আদেশ ৪৭-এর মতো, যেমন নথিতে দৃশ্যমান ভুল। রিভিউ আপিলের পুনঃশুনানি নয়, এবং কদাচিৎ মঞ্জুর হয়।

    দায়েরের জন্য ৩০ দিন; ৩-১২ মাসগণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০৫আপিল বিভাগ বিধিমালা, ১৯৮৮-এর আদেশ ২৬ বিধি ১-২

শেষ পর্যন্ত যেখানে গড়ায়: আপিল বিভাগের রায় বহাল থাকে বা সংশোধিত হয়, এবং বিষয়টি নিষ্পন্ন হয়।

বিকল্প পথ · পাওনাদার → কোম্পানি বেঞ্চ

কোনো পাওনাদার তালিকা থেকে বাদ পড়লে কী হবে?

  1. 1
    হাইকোর্ট বিভাগ

    তালিকাবহির্ভূত পাওনাদারের প্রতি সদস্যদের দায়

    নিবন্ধনের পর সদস্যরা তাঁদের শেয়ারের হ্রাসকৃত অঙ্কের বেশি দায়ী নন। তবে আপত্তি করার অধিকারী কোনো পাওনাদার কার্যধারার কথা না জানায় তালিকা থেকে বাদ পড়লে এবং পরে কোম্পানি তাঁকে পরিশোধ করতে না পারলে, নিবন্ধনের তারিখের সদস্যদের সেই অঙ্ক দিতে বাধ্য করা যায়, যা নিবন্ধনের আগের দিন অবসায়ন শুরু হলে তাঁদের দিতে হতো। অবসায়নে পাওনাদারের আবেদনে আদালত ওই সদস্যদের তালিকা নিষ্পত্তি করতে পারেন।

    কেবল পরে কোম্পানি ব্যর্থ হলেই প্রযোজ্যকোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর ধারা ৬৭(১)-এর শর্তাংশকোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর ধারা ৬৮

শেষ পর্যন্ত যেখানে গড়ায়: কোম্পানি যে পাওনাদারকে উপেক্ষা করেছে তাঁর সদস্যদের বিরুদ্ধে প্রতিকার থেকে যায়, তাই পাওনাদারদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা গুরুত্বপূর্ণ।

নিম্ন আদালত থেকে উচ্চ আদালত

শেয়ার মূলধন হ্রাস যেভাবে আদালতের স্তর বেয়ে ওপরে ওঠে

শেয়ার মূলধন হ্রাস শুরু হয় প্রথম স্তরে। কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর ধারা ৩ হাইকোর্ট বিভাগকে 'আদালত' হিসেবে নির্ধারণ করেছে, এবং এর সংবিধিবদ্ধ মূল এখতিয়ারে একক বিচারকের কোম্পানি বেঞ্চ পিটিশন শোনেন। কোনো মূল্যসীমা নেই এবং কোনো নিম্ন দেওয়ানি আদালত নেই: একই বেঞ্চ ১০ লাখ টাকার সংশোধন এবং তালিকাভুক্ত কোম্পানির শত শত কোটি টাকার অবলোপন শোনেন। সরকার প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে কোনো জেলা আদালতকে কোম্পানি এখতিয়ার প্রয়োগের ক্ষমতা দিতে পারে, তবে সেটি সাধারণ পথ নয়। বাণিজ্যিক আদালত আইন, ২০২৬ (২০২৬ সালের ২৩ নং আইন) হাইকোর্ট বিভাগের মূল এখতিয়ারভুক্ত বিষয় গ্রহণ করে না (ধারা ২(ঘ))।

আদালত পর্যায়ের আগে কোম্পানি তার পর্ষদ ও শেয়ারহোল্ডারদের মাধ্যমে কাজ করে, এবং তালিকাভুক্ত কোম্পানি বিএসইসি ও স্টক এক্সচেঞ্জের সঙ্গে যোগাযোগ করে। আদেশের পর আরজেএসসি তা নিবন্ধন করে। কোম্পানি বেঞ্চ থেকে কোনো আন্তঃআদালত আপিল বা রিভিশন নেই। কোনো পক্ষ অনুচ্ছেদ ১০৩-এর অধীনে লিভের সিভিল পিটিশনের মাধ্যমে আপিল বিভাগে যান, যা মূলত আইনগত প্রশ্ন নিষ্পত্তি করে।

  1. আপিল বিভাগসুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ
  2. হাইকোর্ট বিভাগহাইকোর্ট বিভাগ
  3. শুরু · আদালতের বাইরেকোম্পানির আইনজীবী · কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ ও সাধারণ সভা · বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ও স্টক এক্সচেঞ্জ (তালিকাভুক্ত কোম্পানি) · পাওনাদার ও ঋণদাতা ব্যাংক · যৌথমূলধনী কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর (RJSC)
আদালত ও ঠিকানা

আপনার মামলা কোথায় শুনানি হয়

ঠিকানাগুলো ঢাকার। প্রতিটি জেলার নিজস্ব জজশিপে সমমানের আদালত আছে।

আপিল বিভাগ

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট (আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ)

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, শাহবাগ, রমনা, ঢাকা-১০০০

হাইকোর্ট বিভাগ (High Court Division) আপিল, রিভিশন (revision), রেফারেন্স, সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০২-এর অধীন রিট পিটিশন (writ petition), কোম্পানি বিষয় ও ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) শুনানি করে; আপিল বিভাগ (Appellate Division) হাইকোর্ট বিভাগের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতিসাপেক্ষে আপিল শুনানি করে।

দুই বিভাগই সুপ্রিম কোর্ট চত্বরে বসে; হাইকোর্ট বিভাগের অনেক বেঞ্চ বসে অ্যানেক্স ভবনে। কোন বেঞ্চ ও কোন কোর্ট রুম, তা জানতে দৈনিক কার্যতালিকা (cause list) দেখুন। ডাক যোগাযোগের ঠিকানা: রেজিস্ট্রার জেনারেল, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, রমনা, ঢাকা-১০০০।

শুরু · আদালতের বাইরে

কোম্পানির আইনজীবী

এটি কোথায় হবে তা আপনার জেলা বা সংশ্লিষ্ট অফিসের ওপর নির্ভর করে। সঠিক এজলাস ও ঠিকানার জন্য আমাদের জিজ্ঞেস করুন।

শুরু · আদালতের বাইরে

কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ ও সাধারণ সভা

এটি কোথায় হবে তা আপনার জেলা বা সংশ্লিষ্ট অফিসের ওপর নির্ভর করে। সঠিক এজলাস ও ঠিকানার জন্য আমাদের জিজ্ঞেস করুন।

শুরু · আদালতের বাইরে

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)

সিকিউরিটিজ কমিশন ভবন, ই-৬/সি আগারগাঁও, শেরেবাংলা নগর প্রশাসনিক এলাকা, ঢাকা-১২০৭

সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন, ১৯৯৩-এর অধীন পুঁজিবাজার, তালিকাভুক্ত কোম্পানি, স্টক এক্সচেঞ্জ ও বাজার মধ্যস্থতাকারীদের নিয়ন্ত্রণ করে; তালিকাভুক্ত কোম্পানির মূলধন পরিবর্তনে কমিশনের সম্মতি লাগতে পারে।

ঠিকানাটি কমিশনের সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত।

শুরু · আদালতের বাইরে

পাওনাদার ও ঋণদাতা ব্যাংক

এটি কোথায় হবে তা আপনার জেলা বা সংশ্লিষ্ট অফিসের ওপর নির্ভর করে। সঠিক এজলাস ও ঠিকানার জন্য আমাদের জিজ্ঞেস করুন।

শুরু · আদালতের বাইরে

যৌথমূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর (RJSC)

টিসিবি ভবন (৭ম তলা), ১ কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫

কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর অধীন কোম্পানি, অংশীদারি ফার্ম ও সোসাইটি নিবন্ধন করে এবং বার্ষিক রিটার্ন ও আইনগত দাখিলাগুলো গ্রহণ করে।

প্রধান কার্যালয় (ঢাকা)। বেশির ভাগ দাখিল অনলাইনে হয়। চট্টগ্রাম, খুলনা ও রাজশাহীতেও আরজেএসসির অফিস আছে। পিএবিএক্স +৮৮ ০২ ৫৫০১৩৭৭৬।

নির্দেশক সময়রেখা

প্রতিটি পর্যায়ে কত সময় লাগে

এগুলো ঢাকার সাধারণ চর্চার ভিত্তিতে নির্দেশক সময়সীমা। মুলতবি, মামলাজট ও আপিলের কারণে সময় বাড়তে পারে।

মূলধন হ্রাসের পরিকল্পনা
০.৫–২ মাস
শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন
০.৫–১ মাস
আদালতে পিটিশন ও পাওনাদার
২–৮ মাস
অনুমোদন আদেশ
১–৪ মাস
নিবন্ধন ও বাস্তবায়ন
১–৩ মাস
গাঢ় রেখা = দ্রুত নিষ্পত্তি · হালকা রেখা = ধীর নিষ্পত্তিপ্রথম দফার যাত্রা: ৫–১৮ মাস · সামগ্রিক: ঢাকার সাধারণ চর্চা অনুযায়ী নির্দেশক সময়সীমা: কোনো পাওনাদার আপত্তি না করলে পর্ষদের সিদ্ধান্ত থেকে আরজেএসসিতে নিবন্ধন পর্যন্ত প্রায় ৬-১২ মাস; পাওনাদার আপত্তি করলে বা আদেশ আপিল বিভাগে গেলে ১-২ বছর বা তার বেশি
প্রস্তুতি

কাগজপত্রের চেকলিস্ট ও মূল পরিভাষা

আপনার কাছে যা আছে টিক দিন। টিকগুলো এই ব্রাউজারে সংরক্ষিত থাকবে। আইনজীবীর সঙ্গে প্রথম বৈঠকে তালিকাটি নিয়ে যান।

বিশেষ সিদ্ধান্ত (Special resolution)
অন্তত একুশ দিনের নোটিশে আহূত সাধারণ সভায় ভোটদানকারী সদস্যদের অন্তত তিন-চতুর্থাংশের ভোটে পাস হওয়া সিদ্ধান্ত (কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর ধারা ৮৭(২))।
পরিশোধিত মূলধন (Paid-up capital)
ইস্যুকৃত শেয়ারের অভিহিত মূল্যের যে অংশ সদস্যরা প্রকৃতপক্ষে কোম্পানিকে পরিশোধ করেছেন।
অনুমোদন আদেশ (Confirmation order)
ধারা ৬৪-এর অধীনে হাইকোর্ট বিভাগের নির্ধারিত শর্তে মূলধন হ্রাস অনুমোদনের আদেশ।
মূলধন হ্রাসের কার্যবিবরণী (Minute of reduction)
নতুন মূলধন, শেয়ারের সংখ্যা ও অভিহিত মূল্য এবং পরিশোধিত অঙ্কের আদালত-অনুমোদিত বিবরণী, যা আরজেএসসিতে নিবন্ধিত হয় এবং সংঘস্মারকে প্রতিস্থাপিত হয়।
পাওনাদারদের তালিকা (List of creditors)
মূলধন হ্রাসে আপত্তি করার অধিকারী পাওনাদারদের যে তালিকা আদালত ধারা ৬২(২)-এর অধীনে নিষ্পত্তি করেন।
'এবং হ্রাসকৃত' ('And reduced')
আদালত-নির্ধারিত সময়ের জন্য কোম্পানিকে নামের সঙ্গে যে শব্দগুলো যোগ করতে হতে পারে (ধারা ৬১), যা আদালত মওকুফ করতে পারেন।
কোম্পানি বেঞ্চ (Company bench)
কোম্পানি আইনের অধীনে বিষয় শুনানির জন্য প্রধান বিচারপতি কর্তৃক দায়িত্বপ্রাপ্ত হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক।
লিভ টু আপিলের সিভিল পিটিশন (Civil petition for leave to appeal)
হাইকোর্ট বিভাগের আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি চেয়ে ষাট দিনের মধ্যে আপিল বিভাগে দাখিলকৃত আবেদন।
প্রশ্নোত্তর

শেয়ার মূলধন হ্রাস: সাধারণ প্রশ্ন

আদালতে না গিয়ে কি কোম্পানি মূলধন কমাতে পারে?
প্রকৃত মূলধন হ্রাস হলে পারে না। ধারা ৫৯ প্রতিটি মূলধন হ্রাসকে হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদনসাপেক্ষ করেছে। একমাত্র ব্যতিক্রম হলো কেউ নেয়নি বা নিতে সম্মত হয়নি এমন অনুমোদিত শেয়ার বাতিল, যা ধারা ৫৩(১)(ঙ)-এর অধীনে একটি পরিবর্তন এবং স্পষ্টভাবেই মূলধন হ্রাস নয়। মূলধন হ্রাসের পদ্ধতি ছাড়া কোম্পানি নিজের শেয়ারও কিনে নিতে পারে না।
শেয়ারহোল্ডারদের কত সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাগে?
বিশেষ সিদ্ধান্ত: বিশেষ সিদ্ধান্ত হিসেবে প্রস্তাবের অভিপ্রায় উল্লেখ করে অন্তত একুশ দিনের নোটিশে আহূত সভায় সশরীরে বা প্রক্সিতে উপস্থিত ভোটদানের অধিকারী সদস্যদের অন্তত তিন-চতুর্থাংশ। উপস্থিত থাকার ও ভোটদানের অধিকারী প্রত্যেক সদস্য সম্মত হলেই কেবল কম সময়ের নোটিশ চলে। সংঘবিধিতেও মূলধন হ্রাসের ক্ষমতা থাকতে হবে।
পাওনাদারদের কি সম্মত হতে হবে?
মূলধন হ্রাসে মূলধন ফেরত দেওয়া বা অপরিশোধিত শেয়ারের দায় কমানো জড়িত থাকলে আদালত অনুমোদনের আগে আদালতের তালিকার প্রত্যেক পাওনাদারকে সম্মতি দিতে, পরিশোধিত হতে বা জামানত পেতে হবে। অন্যান্য মূলধন হ্রাসে, যেমন হারানো মূলধন অবলোপনে, আদালত অনুমতি দিলে তবেই পাওনাদাররা আপত্তি করতে পারেন। কোম্পানি ধারা ৬৩-এর অধীনে দাবি সুরক্ষিত করলে আদালত অস্বীকারকারী পাওনাদারের সম্মতি থেকে অব্যাহতি দিতে পারেন।
শেয়ার মূলধন হ্রাসে কত সময় লাগে?
ঢাকার সাধারণ চর্চা অনুযায়ী নির্দেশক হিসেবে, বিরোধহীন শেয়ার মূলধন হ্রাসের পিটিশনে পর্ষদের সিদ্ধান্ত থেকে আরজেএসসিতে নিবন্ধন পর্যন্ত প্রায় ছয় থেকে বারো মাস লাগে। ২০২৬ সালের ইবনে সিনা পলিমার মামলায় বিশেষ সিদ্ধান্ত পাস হয়েছিল অক্টোবর ২০২৫-এ এবং অনুমোদিত হয়েছিল জুলাই ২০২৬-এ। পাওনাদারদের আপত্তি বা আপিল বিভাগে আপিল এক বছর বা তার বেশি সময় যোগ করতে পারে।
মূলধন হ্রাস প্রকৃতপক্ষে কখন কার্যকর হয়?
কেবল তখন, যখন আরজেএসসি ধারা ৬৫-এর অধীনে আদালতের আদেশের সার্টিফায়েড কপি ও আদালত-অনুমোদিত কার্যবিবরণী নিবন্ধন করে। এর আগে সিদ্ধান্তের কোনো কার্যকারিতা নেই। রেজিস্ট্রারের নিবন্ধন সনদ চূড়ান্ত প্রমাণ যে আইন মানা হয়েছে এবং মূলধন কার্যবিবরণীতে উল্লিখিত অঙ্কের সমান, তাই এই দলিলটিই সংরক্ষণ করতে হবে।
তালিকাভুক্ত কোম্পানির কি বিএসইসির অনুমোদন লাগে?
কোম্পানি আইন কেবল বিশেষ সিদ্ধান্ত ও হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন চায়, এবং পূর্বানুমোদন স্পষ্টভাবে বাধ্যতামূলক করে এমন কোনো বিএসইসি বিধি নিশ্চিত করা যায়নি। তবে তালিকাভুক্ত কোম্পানিকে প্রস্তাবটি মূল্য সংবেদনশীল তথ্য হিসেবে প্রকাশ করতে, বিএসইসি ও স্টক এক্সচেঞ্জের সঙ্গে যোগাযোগ করতে এবং লিস্টিং রেগুলেশনসের ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন মানতে হবে। ঘোষণার আগে বিএসইসির সর্বশেষ নির্দেশনা যাচাই করুন।
আদালত কি অনুমোদন দিতে অস্বীকার করতে পারেন?
হ্যাঁ। অনুমোদন আদালতের বিবেচনাধীন। আদালতকে আপত্তি করার অধিকারী প্রত্যেক পাওনাদার সম্পর্কে সন্তুষ্ট হতে হবে, এবং আদালত আরও বিবেচনা করেন সিদ্ধান্তটি বৈধ কি না, একই শ্রেণির শেয়ারহোল্ডারদের প্রতি ন্যায্য আচরণ করা হচ্ছে কি না এবং জনসাধারণকে যথাযথভাবে জানানো হচ্ছে কি না। আদালত শর্তসাপেক্ষে অনুমোদন দিতে পারেন, যেমন ধারা ৬৯-এর অধীনে কারণ প্রকাশ, অথবা অস্বীকার করতে পারেন।
ভুল মূলধন রেকর্ড সংশোধনে কি শেয়ার মূলধন হ্রাস ব্যবহার করা যায়?
হ্যাঁ, উপযুক্ত ক্ষেত্রে শেয়ার মূলধন হ্রাস ব্যবহার করা যায়। দি ইবনে সিনা পলিমার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড (২০২৬) মামলায় নিগমনের সময়ের একটি টাইপিং ভুলে চাঁদাকৃত মূলধন দশ গুণ স্ফীত হয়েছিল। হাইকোর্ট বিভাগ প্রকৃত অঙ্কে মূলধন হ্রাস অনুমোদন করেন, 'and reduced' শব্দগুলো মওকুফ করেন, এবং আরজেএসসিকে কোম্পানির অতীত বার্ষিক রিটার্ন ও ইলেকট্রনিক রেকর্ড সংশোধনের নির্দেশ দেন।

আইন ও উৎস

  1. Companies Act 1994, Laws of Bangladesh
  2. Companies Act 1994, Bangla text with amendments (mirror)
  3. The IBN SINA Polymer Industries Ltd v Registrar, RJSC, Company Matter No. 1936 of 2025 (HCD, 05.07.2026)
  4. Commercial Courts Act 2026 (Act 23 of 2026), Bangla text (mirror)
  5. Code of Civil Procedure 1908, Laws of Bangladesh
  6. Constitution of the People's Republic of Bangladesh, Laws of Bangladesh
  7. The Financial Express: RN Spinning Mills decides to reduce paid-up capital (June 2020)
  8. The Financial Express: 64 cos get Dec 31, '22 deadline (minimum paid-up capital, December 2021)

এই কেস জার্নি অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত বাংলাদেশের কার্যপ্রণালীর একটি সাধারণ গাইড। এটি আইনি পরামর্শ নয়। কার্যপ্রণালী, ফি ও সময়সীমা বদলায়, আর প্রতিটি মামলা তার নিজস্ব তথ্যের ওপর নির্ভর করে। সময়রেখাগুলো নির্দেশক। নিজের বিষয়ে একজন আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলুন।

প্রবাসে থাকেন?

বাংলাদেশের বাইরে থেকে এই মামলা চালান

সাধারণত দেশে না এসেও এই মামলা শুরু ও পরিচালনা করা যায়। আপনি বিদেশে একটি পাওয়ার অব অ্যাটর্নি (মোক্তারনামা) সই করবেন, বাংলাদেশ হাইকমিশন বা দূতাবাস তা সত্যায়ন করবে, আর ঢাকায় আপনার প্রতিনিধি ও আইনজীবী আপনার হয়ে কাজ করবেন। সশরীরে সাক্ষ্য দেওয়ার মতো কিছু ধাপে তবু আপনাকে বা একটি কমিশনকে প্রয়োজন হতে পারে। পাওয়ার অব অ্যাটর্নির মাধ্যমে মামলা কীভাবে চলে দেখুন →

আপনার মামলা, একজন আইনজীবীর চোখে

আপনার মামলা এখন কোথায় দাঁড়িয়ে, জানতে চান?

একটি পরামর্শ বুক করুন। একজন TRW আইনজীবী আপনার বিষয়টি এই ম্যাপে বসিয়ে দেবেন, পরবর্তী ধাপ ও বাস্তবসম্মত সময়রেখা ব্যাখ্যা করবেন এবং কী প্রস্তুত করতে হবে তা জানাবেন।

Message TRW on WhatsApp